Recent News
-
রংপুরের তারাগঞ্জের মঞ্জুরুল হত্যা মামলার ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রংপুরের তারাগঞ্জের মঞ্জুরুল হত্যা মামলার ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রংপুরের তারাগঞ্জে মঞ্জুরুল হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করে তদন্তে প্রাপ্ত অভিযুক্ত ১। রাফিউর রহমান @ লাবলু @ লাবু,(৩২) পিতা- মনোয়ার হোসেন @ মকবুল, গ্রাম মনিরামপুর ঝাকুয়া পাড়া, থানা- তারাগঞ্জ, জেলা রংপুরকে ১৫/৩/২৬খ্রি. ভোর ০৪: ৩০ ঘটিকায় বগুড়ার গোকুল এলাকা থেকে এবং ২। মাজেদুল ইসলাম (৩২) পিতা, মোবারক হোসেন, গ্রাম- কুরশা (যদ্দিপাড়া), থানা- তারাগঞ্জ, জেলা-রংপুরকে ১৪/৩/২৬ খ্রি. বিকাল ০৩:১৫ ঘটিকায় তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছে রংপুর জেলা পুলিশের ডিবি ও তারাগঞ্জ থানার সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস টিম। রংপুর জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মারুফাত হুসাইন মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় রংপুর জেলা পুলিশের চৌকস টিমটি ১৪ মার্চ ২০২৬ খ্রি. ও ১৫ মার্চ, ২০২৬ খ্রি. বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তারাগঞ্জ থানার মামলা নং-০৫, তাং-২৭/০২/২৬ ইং, ধারা-৩০২/২০১/৩৭৯ পেনাল কোড ১৮৬০ মূলে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। উল্লেখ্য গত ২৪/০২/২০২৬ খ্রি. সন্ধ্যা অনুমান ০৬.৫০ ঘটিকা হইতে ইং ২৬/০২/২০২৬ খ্রি. বেলা অনুমান ১১.৩০ ঘটিকার মধ্যে যে কোন সময় অভিযুক্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে নৃশংসভাবে মাঞ্জুরুলকে হত্যা করে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে তারাগঞ্জ থানাধীন ২নং কুর্শা ইউনিয়নের রামপুরা মৌজাস্থ জনৈক মোঃ শাহাদত হোসেন সুজন এর আলুর ক্ষেতের পূর্ব-দক্ষিণ কোণে মাটির নীচে দক্ষিণ শিয়রী অবস্থায় পুঁতে রেখে ভিকটিমের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি নিয়ে যায় বলে প্রাথমিক ভাবে জানা যায়। রংপুর জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মারুফাত হুসাইন মহোদয় বলেন, রংপুর জেলার অধিকাংশ ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটন করে মূল অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে আমরা সক্ষম হয়েছি। উল্লেখ্য ধৃত অভিযুক্তদের মামলার ঘটনা সংক্রান্তে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। অভিযুক্তরা প্রাথমিকভাবে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেফতার অভিযান চলমান আছে। মামলাটি তদন্তাধীন আছে। তদন্ত কার্যক্রম শেষে বিজ্ঞ আদালতে পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করা হবে। ধন্যবাদান্তে মিডিয়া সেল, জেলা পুলিশ, রংপুর।
-
Give a Reply

